রাজশাহীর বাঘায় মিনহাজ (১১) নামে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ( ১১ জুন ) দুপুর দেড়টায় বাইসাইকেলযোগে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিনহাজ উপজেলার মিরগঞ্জ ভানুকর গ্রামের মিনারুল ইসলামের ছেলে ও মিরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মিনহাজ এদিন সকালের ক্লাস শেষ করে দুপুর ১টার দিকে স্কুল থেকে বাই সাইকেল চড়ে বাড়িতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মিনহাজ নিজ বাড়ির ( বাড়ির পার্শ্বে বাঘা-রাজশাহী সড়কের মিরগঞ্জ ভানুকর এলাকায়) কাছাকাছি পৌঁছালে ঈশ্বরদী থেকে রাজশাহী গামী একটি দ্রুতগতির সাদা রঙের মাইক্রোবাস তার সাইকেলটিকে সরাসরি সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মিনহাজ সাইকেলসহ রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে। এসময় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে । তিন ভাই বোনের মধ্যে মিনহাজুল বড় সন্তান ছিলেন। তাঁর ছোট দুই বোন রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত মিনহাজের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী আকতার হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসটি দ্রুত চলে যায়। পরে চারঘাট এলাকায় গাড়িটি আটকানো হয়। এ দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মিনহাজের জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) সেরাজুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রের লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে পরিবারকে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সড়ক পরিবহন আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার ( ১১ জুন ) দুপুর দেড়টায় বাইসাইকেলযোগে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিনহাজ উপজেলার মিরগঞ্জ ভানুকর গ্রামের মিনারুল ইসলামের ছেলে ও মিরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মিনহাজ এদিন সকালের ক্লাস শেষ করে দুপুর ১টার দিকে স্কুল থেকে বাই সাইকেল চড়ে বাড়িতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মিনহাজ নিজ বাড়ির ( বাড়ির পার্শ্বে বাঘা-রাজশাহী সড়কের মিরগঞ্জ ভানুকর এলাকায়) কাছাকাছি পৌঁছালে ঈশ্বরদী থেকে রাজশাহী গামী একটি দ্রুতগতির সাদা রঙের মাইক্রোবাস তার সাইকেলটিকে সরাসরি সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মিনহাজ সাইকেলসহ রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে। এসময় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে । তিন ভাই বোনের মধ্যে মিনহাজুল বড় সন্তান ছিলেন। তাঁর ছোট দুই বোন রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত মিনহাজের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী আকতার হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসটি দ্রুত চলে যায়। পরে চারঘাট এলাকায় গাড়িটি আটকানো হয়। এ দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মিনহাজের জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) সেরাজুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রের লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে পরিবারকে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সড়ক পরিবহন আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শাহানুর আলম বাবু